ইতু বৌদির ঘর
Condition Guide
New
নতুন বই, বর্তমান এডিশন।
Old – Like New
পুরাতন, প্রায় নতুন বলা যাবে।
Old – Good Enough
পুরাতন, যথেষ্ট ভালো কন্ডিশন — বইয়ে দাগ থাকতে পারে তবে অনায়াসে পড়া যাবে।
Old – Readable
পুরাতন, আগের এডিশন। বইটি পাঠযোগ্য।
বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশেই তখন মানুষ টিকে থাকার লড়াইয়ে ব্যস্ত। এই উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্রও সেই তাড়িত মানুষদের মধ্যে একজন। কেউ স্থায়ীভাবে থেকে গেছে, কেউ বিদ্রোহী কবির মতো চুরুলিয়া থেকে এসে ফুলবাড়িয়া রেলস্টেশনে নামে। ঘোড়ার খুরের শব্দ মনের গভীরে সাড়া জাগানোর মধ্য দিয়েই শুরু হয় ‘ইতু বৌদির ঘর’-এর গল্প, যখন ঢাকা ছিল নতুন দেশের প্রাদেশিক রাজধানী। চুরুলিয়ার লেখক শেখ আবু রায়হান ওমর, বন্ধুপ্রিয় হেদায়েত-উর রহমান আর উত্তমপুরুষ ঘোড়ার গাড়িতে ঘুরতে ঘুরতে একসময় আবিষ্কার করে প্রাচীন সেই বাড়ি, যা সুচিত্রা সেনের শ্বশুরবাড়ি ‘সেন নিবাস’ নামে পরিচিত।
এই বাড়িটিই উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে শুরু হয় মনের আলো-আঁধারির খেলা। উত্তমপুরুষ চরিত্রের মাধ্যমে লেখক নিজের হয়ে ওঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা লুকিয়ে রাখেননি, আবার নিশ্পিশ কাটিয়ে শেখ আবু রায়হান ওমরকেও তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন। আত্মহত্যার প্রসঙ্গ, প্রেমিকার যমজ বোন ইতুয়ারী দাসের সাথে পালাতে গিয়ে মাঝপথে ভুল মানুষটির দেখা পাওয়া—সবকিছু মিলে জটিল এক সমীকরণ। দেশে হঠাৎ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে যূথবদ্ধ মানুষের বিচ্ছেদ ঘটে, আর অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলে না। চুরুলিয়ায় ফেলে আসা আরতির মুখচ্ছবি ভুলতে পারেনি উত্তমপুরুষ, আর দেবাশীষ, তার বোন অতসী বা ইতুয়ারী দাসের ক্ষেত্রেও কোনো সমাপন ঘটেনি। যুদ্ধ শেষে বিজয় এলেও ‘সেন নিবাসে’ কাউকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি, আর সেখানেই ‘ইতু বৌদির ঘর’ হয়ে ওঠে জীবনের সেই অমীমাংসিত রহস্যের প্রতীক।
| প্রকাশনী | : | অনিন্দ্য প্রকাশ |
| ভাষা | : | bangla |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (নতুন) |