মানুষের আদি উৎস
ড. মরিস বুকাইলির 'মানুষের আদি উৎস' বইটি মানবজাতির সবচেয়ে পুরনো প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার চেষ্টা করে: আমরা কোথা থেকে এলাম? হাজার হাজার বছর ধরে এই প্রশ্নের জবাব পাওয়া গেছে শুধু ধর্মীয় শিক্ষা ও দার্শনিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে। কিন্তু আধুনিক যুগে বিজ্ঞান ও যুক্তির নবনব আবিষ্কার মানুষের হাতে তুলে দিয়েছে এমন সব তথ্য, যা দিয়ে এই জটিল সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভব।
বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাবের বিষয়টি। আধুনিক সেকুলার জ্ঞান-বিজ্ঞান যে মানুষের আদি উৎস সম্পর্কে চূড়ান্ত ধারণা দিতে সক্ষম, তার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে ডারউইনের 'অন দি অরিজিন অব স্পেসিস' গ্রন্থটিকে। ১৮৬৯ সালে ইংল্যান্ডে প্রকাশিত এই বইয়ের তত্ত্বকে বহুদিন ধরে মানুষের উৎস-সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য জবাব হিসেবে মেনে নিয়েছে আধুনিক মানুষ।
যুক্তি ও বিজ্ঞানের এই যুগে দাঁড়িয়ে মানুষের বুদ্ধিমত্তা যত কঠিন প্রশ্নই উত্থাপন করুক, আধুনিক তথ্য ও আবিষ্কারের সহায়তায় তার জবাব দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন লেখক। যারা মানবজাতির উৎস সম্পর্কে কৌতূহলী, তাদের জন্য এই বইটি চিন্তার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
| অনুবাদক | : | আখতার-উল-আলম |
| প্রকাশনী | : | জ্ঞানকোষ |
| সংস্করণ | : | 1995 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ট্যাগ | : | অনুবাদ বই (পুরাতন) |
পুরাতন বইয়ের কন্ডিশন দেখতে অর্ডার করার পর আপনার অর্ডার আইডিটি আমাদের Messenger বা WhatsApp-এ ইনবক্স করুন।