হৈটি-টৈটি
Condition Guide
New
নতুন বই, বর্তমান এডিশন।
Old – Like New
পুরাতন, প্রায় নতুন বলা যাবে।
Old – Good Enough
পুরাতন, যথেষ্ট ভালো কন্ডিশন — বইয়ে দাগ থাকতে পারে তবে অনায়াসে পড়া যাবে।
Old – Readable
পুরাতন, আগের এডিশন। বইটি পাঠযোগ্য।
আলেক্সান্দার বেলায়েভের 'হৈটি-টৈটি' একটি চমৎকার বিজ্ঞান কল্পকাহিনী। বার্লিনের বুশ সার্কাসের প্রধান আকর্ষণ আফ্রিকার প্রকাণ্ড হাতি 'হৈটি-টৈটি', যে গুনতে ও পড়তে পারে। কোনো কারণে হাতিটি ট্রেনারের ওপর রাগ করে পালিয়ে যায় এবং শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। পুলিশ হাতিটিকে ধরতে না পেরে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সোভিয়েত বিজ্ঞানী ভাগনারের নাম শুনে হাতিটি শান্ত হয়ে তাঁবুতে ফিরে আসে। আসলে হাতিটির মাথায় ছিল মানুষের মস্তিষ্ক, যা আবিসিনিয়ায় মারা যাওয়া তরুণ জার্মান বিজ্ঞানী রিঙের। প্রফেসর তাঁর গবেষণাগারে মস্তিষ্কটি বাঁচিয়ে রেখেছিলেন এবং সাংকেতিক ভাষায় যোগাযোগ করতেন রিঙের সাথে। বিরক্ত হয়ে রিঙ প্রফেসরকে কোনো প্রাণীর দেহে তাঁকে প্রতিস্থাপনের অনুরোধ করেন।
জটিল ও সফল অপারেশনের মাধ্যমে একটি হাতির মাথায় মস্তিষ্কটি প্রতিস্থাপন করা হয়। কিন্তু এক রাতে হাতিটিকে হারিয়ে ফেলে তারা মস্কোতে ফিরে আসে। পরে রিঙ জানায়, চিতার ভয়ে পথ হারিয়ে সে হাতির পালের সাথে মিশে যায়, পিগমিদের আক্রমণ ও হস্তীদন্ত শিকারিদের কবল থেকে পালিয়ে এসে এক খোলা মাঠে দুটি শিশুর সাথে দেখা করে, যারা তার নাম রাখে 'হৈটি-টৈটি'। বুশ সার্কাস হাতিটির বিশেষ ক্ষমতার কথা জানতে পেরে চড়া দামে কিনে নেয়। হাতিটির অস্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তার পিছনের সত্য জানতেন শুধু প্রফেসর ভাগনার ও তাঁর দুই সহকারী।
| অনুবাদক | : | ননী ভৌমিক |
| প্রকাশনী | : | অবসর প্রকাশনা সংস্থা |
| সংস্করণ | : | 1st Published, 2020 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9789848799130 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 96 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (নতুন) |