হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
১৯৪৬ সালে দাঙ্গায় রক্তাক্ত কলকাতা। শারদীয়া আনন্দবাজারের পুজোর উপন্যাস হিসেবে লিখেছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। লাভপুরে কোপাই ও বক্রেশ্বর নদীর মিলনস্থলে হাঁসুলীর মতো বাঁক নিয়েছে যে স্থান, সেখানকার জনজীবন, সুখ-দুঃখ, প্রেম-ভালোবাসা, ডাঙ্গা-ডহর নিয়েই রচিত 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা'। ১৯৫৫ সালে বেঙ্গল পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে। জীবদ্দশায় প্রকাশিত নয়টি সংস্করণেই পরিমার্জন করে লোকায়ত জগতের অতলে লুকিয়ে থাকা আদিম সমাজচিত্র তুলে এনেছেন লেখক।
লোকসংস্কৃতিবিদ বা নৃতত্ত্ববিদদের চেয়েও গভীর ও মমত্বময় ছিল তারাশঙ্করের অনুসন্ধান, তাই কাহারদের এই উপকথা পেয়েছে পাঠকপ্রিয়তা। সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে এটি তারাশঙ্করের আধুনিকতম সৃষ্টি ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। 'বাঁশবাঁদি'র কাহারদের সঙ্গে রূপকছলে ব্রাত্য, মন্ত্রহীন ভারতবর্ষের যুগান্তরের দোলাও প্রকাশ পেয়েছে এই উপন্যাসে, যা তাকে দিয়েছে গণসাহিত্যের নির্ভীক অগ্রদূতের স্বীকৃতি।
| প্রকাশনী | : | অবসর প্রকাশনা সংস্থা |
| সংস্করণ | : | Printed, 2019 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9844151341 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 268 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (নতুন) |
পুরাতন বইয়ের কন্ডিশন দেখতে অর্ডার করার পর আপনার অর্ডার আইডিটি আমাদের Messenger বা WhatsApp-এ ইনবক্স করুন।