ত্রিপুরার কথা

by মযহারুল ইসলাম

Condition:
NEW

Condition Guide

New

নতুন বই, বর্তমান এডিশন।

Old – Like New

পুরাতন, প্রায় নতুন বলা যাবে।

Old – Good Enough

পুরাতন, যথেষ্ট ভালো কন্ডিশন — বইয়ে দাগ থাকতে পারে তবে অনায়াসে পড়া যাবে।

Old – Readable

পুরাতন, আগের এডিশন। বইটি পাঠযোগ্য।

225৳300৳Save 75৳ (25%)
Qty
Wishlist
Share

অবিভক্ত ভারতবর্ষে ক্ষুদ্র অথচ প্রাচীন রাজ্য ছিল ত্রিপুরা। ১৯৪৭-এর দেশভাগের সময় ভারত রাষ্ট্রের অধীনে চলে যায় আমাদের অতি নিকটবর্তী এই রাজ্যটি। ত্রিপুরার মাণিক্য রাজপরিবারের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী রানি কাঞ্চন প্রভা দেবী ১৯৪৯ সালের ১৫ অক্টোবর দিল্লিতে ভারত সরকারের সঙ্গে ভারতভুক্তির আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন করেন। পাঁচশত বছরের বেশি সময় ধরে স্বাধীন এই রাজ্যটি মোগল বা ব্রিটিশদের প্রত্যক্ষ শাসনাধীন ছিল না। তবে তাদের সীমাহীন আধিপত্য-আগ্রাসনের কারণে নতজানু নীতি গ্রহণে বাধ্য হয়েছিল। আনুগত্য ও বশ্যতা স্বীকার করেই মাণিক্য-বংশীয় রাজারা রাজ্যশাসন নিরাপদ রাখতে পেরেছিলেন।

তবে কেবল পার্বত্য ত্রিপুরাতেই তাঁরা স্বাধীনভাবে রাজত্ব করতে পেরেছিলেন। সমতল অঞ্চল চাকলা রোশনাবাদ ছিল রাজাদের জমিদারি এলাকা, সেখানে তাঁদের মর্যাদা ছিল জমিদার হিসেবে। ভারতভুক্তির পরই মাণিক্য-রাজাদের রাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটে। গণতান্ত্রিক শাসনেও ত্রিপুরার আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন এই রাজ্যের মানুষ আজও দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। শিল্প বিনিয়োগ না হওয়ায় কৃষিই এখানকার প্রধান অর্থনীতি। উত্তর-পূর্ব ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজ্য হলেও আয়তন ও জনসংখ্যায় ক্ষুদ্র এই রাজ্যে বেকারত্বও বড় সমস্যা। পশ্চিম বাংলা ও আসামের পর এখানেই সর্বাধিক বাঙালির বাস এবং তাদের ভাষাও পূর্ববঙ্গীয়। মাণিক্য-রাজাদের আমল থেকে অদ্যাবধি রাজ্যের ভাষা বাংলা। আমাদের অতি নিকটবর্তী এই রাজ্য সম্পর্কে অজানা অনেক তথ্য-উপাত্ত পাঠক এই বইয়ে পাবেন।

প্রকাশনী:কথাপ্রকাশ
সংস্করণ:1st Published, 2020
কভার:hardcover
ভাষা:bangla
ISBN:9789845101325
পৃষ্ঠা সংখ্যা:158
ট্যাগ:বাংলাদেশি লেখকদের বই (নতুন)

More Categories

See all