গণদেবতা
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গণদেবতা’ বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। ধারাবাহিকভাবে ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায় চণ্ডীমণ্ডপ নামে প্রকাশিত হয়ে পরে গ্রন্থাকারে আসে এই উপন্যাস, যেখানে ফুটে উঠেছে গ্রামীণ সমাজের ভাঙন ও শহরজীবনের বিকাশের নবভারতের চিত্র। দল-মত নির্বিশেষে বাংলার গ্রাম ও মানুষের জীবনকে পাঠকের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন লেখক; মাটি-মানুষ, মনুষ্যজীবন, স্বাধীনতা আন্দোলন, মহাযুদ্ধ পরবর্তী দুর্ভিক্ষ, বৈষম্য, সামন্ত ও মুদ্রার দ্বন্দ্বে ধনতন্ত্রের বিজয়—সবকিছুর সমাহার ঘটেছে এই উপন্যাসে। ১৯৬৬ সালে এই গ্রন্থের জন্যই তিনি ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান জ্ঞানপীঠ পুরস্কারে ভূষিত হন। প্রথম প্রকাশক শান্তিরঞ্জন সোমকে প্রায় হাজার পৃষ্ঠার পাণ্ডুলিপির নয়শো পাতা নতুন করে ছাপতে হয়েছিল, কারণ লেখক ফিরে এসে পুরো রচনাটিই ভেঙে নতুন কলেবরে সাজিয়েছিলেন। ‘গণদেবতা’য় চণ্ডীমণ্ডপ প্রতীকী রূপ নিয়েছে গোষ্ঠীজীবনের—যেভাবে উপন্যাসটি পঞ্চগ্রামের জীবনে সার্থকতা লাভ করেছে, তেমনি তারাশঙ্করের সৃষ্টিতত্ত্বের প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর ডায়রির সেই বিখ্যাত লাইনে: ‘সন্তান প্রসব করেই মায়ের কর্তব্য শেষ হয় না; তাকে সবলাঙ্গ সম্পূর্ণ মানুষ করে দেওয়ার পরই তার মাতৃত্ব সার্থক হয়।’
| প্রকাশনী | : | রাবেয়া বুকস্ |
| সংস্করণ | : | 1st Published, 2019 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9847016401146 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 264 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (নতুন) |
পুরাতন বইয়ের কন্ডিশন দেখতে অর্ডার করার পর আপনার অর্ডার আইডিটি আমাদের Messenger বা WhatsApp-এ ইনবক্স করুন।