আগুন চোখের মেয়ে
by জহির খান
Condition Guide
New
নতুন বই, বর্তমান এডিশন।
Old – Like New
পুরাতন, প্রায় নতুন বলা যাবে।
Old – Good Enough
পুরাতন, যথেষ্ট ভালো কন্ডিশন — বইয়ে দাগ থাকতে পারে তবে অনায়াসে পড়া যাবে।
Old – Readable
পুরাতন, আগের এডিশন। বইটি পাঠযোগ্য।
“আগুন চোখের মেয়ে” একটি লোমহর্ষক থ্রিলার উপন্যাস, যেখানে রহস্যের পর রহস্য জড়িয়ে থাকে। ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, রাঘব ও আফজাল চৌধুরীর মাথার মাঝখানে ছিদ্র করে মগজ বের করে খেয়েছে খুনি। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র পনেরো বছরের মেয়ে মৌরী, যার বাবা করিম শেখকে ওয়ার্ড কমিশনার আফজাল চৌধুরীর নির্দেশে খুন করা হয়। থানার ওসি আকরাম চৌধুরী খুনটাকে গাড়ি দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়, কিন্তু মৌরী ও তার মা নুরজাহান তা মেনে নিতে পারে না। তারা আকরামের কাছে সাহায্য চাইলে সে গোপনে আফজালের সাথে হাত মিলায় এবং মৌরী ও নুরজাহানকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
ভয়ংকর খুনি রাঘব তাদের অপহরণ করে শহর থেকে দূরে জঙ্গলের পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়, যা আফজালের টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেখানে নুরজাহানকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় এবং মৌরীর হাত-পা ভেঙে দেয় রাঘব। অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও মৌরী চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। তদন্তের দায়িত্ব পান পুলিশের ইন্টেলিজেন্স অফিসার সৌমেন, যিনি সহযোগী সৌরভ ও মৌমিতাকে নিয়ে খুনিদের খুঁজতে শুরু করেন। রাঘবকে গ্রেফতার করা হলেও সে রাতেই থানা থেকে উধাও হয়ে যায়, পরে তার অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ পাওয়া যায় সেই জঙ্গলের বাড়িতে, পাশে আফজালের ঘড়ি। সৌমেনের সন্দেহ হয় আফজালের উপর, কিন্তু তার কাছে পৌঁছানোর আগেই আফজালও খুন হয়ে যায়।
একের পর এক রহস্য উন্মোচিত হতে থাকে সৌমেনের সামনে। কেন আফজাল করিম শেখ ও নুরজাহানকে খুন করলো? রাঘব কীভাবে মারা গেল? আর আফজালকে কে খুন করলো? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গিয়ে সৌমেন কি পারবে রহস্যের সমাধান করতে, নাকি সেও শিকার হবে খুনির? জহির খানের লেখা এই উপন্যাসটি থ্রিলারপ্রেমীদের জন্য একটি উত্তেজনাপূর্ণ পাঠ, যেখানে প্রতিটি পৃষ্ঠায় রোমাঞ্চ ও ভয়ের মিশ্রণ।
| প্রকাশনী | : | আহমদ পাবলিশিং হাউজ |
| সংস্করণ | : | 1st Edition, 2023 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 192 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (নতুন) |