নিতু বলছি উপন্যাসটি তৌহিদুর রহমানের লেখা, যেখানে কিশোরী নিতুর কণ্ঠে উঠে আসে এক গোপন কষ্টের কথা। গল্পের শুরুতে নিতু তার পাঠককে সরাসরি সম্বোধন করে বলে, তার সম্পর্কে কেউ কিছুই জানে না। সে প্রতিশ্রুতি দেয়, গল্পটি গোপন থাকবে। ঘটনাপ্রবাহ শুরু হয় নিতুর ক্লাস সিক্সে পড়ার সময়, যখন বাসায় প্রায় আপনজন এক মামা থাকতেন। একদিন বাসায় কেউ নেই, এমন সময় ঘটে যায় এক ভয়াবহ ঘটনা। রাফিয়া নামের এক চরিত্র হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে, বাচ্চা মানুষের মতো। সে নিতুকে জড়িয়ে ধরে, আর নিতু বুঝতে পারে রাফিয়ার ব্যথার গভীরতা। রাফিয়া জানায়, তিনদিন তিনরাত ব্যথায় সে স্কুলে যেতে পারেনি, বিছানা ছাড়তে পারেনি, কিন্তু কাউকে কিছু বলেনি। সেই মামা এখনও মামিসহ আসে, আর রাফিয়ার চিৎকারে নিতু থামতে বলে।
বইটি নারী নির্যাতন, কিশোরীর মানসিক যন্ত্রণা এবং নীরবতার ভয়াবহতা নিয়ে লেখা। লেখক সহজ ও সাবলীল ভাষায় গল্পটি এগিয়ে নিয়েছেন, যেখানে সংলাপের মাধ্যমে আবেগ আরও গভীর হয়। পাঠক নিতুর চোখ দিয়ে দেখে এক বাস্তব ও বেদনাদায়ক সামাজিক চিত্র। যারা সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যে মানবিক অনুভূতির গল্প খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। তৌহিদুর রহমানের গল্প বলার ধরন পাঠককে গল্পের ভেতরে টেনে নেয়, যেখানে প্রতিটি শব্দে অনুভব হয় চরিত্রগুলোর বেদনা।
| প্রকাশনী | : | অনন্যা |
| সংস্করণ | : | 2019 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9789844325555 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 95 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (পুরাতন) |
পুরাতন বইয়ের কন্ডিশন দেখতে অর্ডার করার পর আপনার অর্ডার আইডিটি আমাদের Messenger বা WhatsApp-এ ইনবক্স করুন।