বাঘবন্দি মিসির আলি
বাঘবন্দি মিসির আলি উপন্যাসে হুমায়ূন আহমেদ তার জনপ্রিয় চরিত্র মিসির আলিকে এক ভিন্ন মানসিক অবস্থায় দেখিয়েছেন। গল্পের শুরুতে মিসির আলি ভাবছেন, প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের কাছে থাকলে কেমন হতো। তিনি এই মানসিক অবস্থার নাম দিয়েছেন বেহেশত কমপ্লেক্স। ধর্মগ্রন্থে বেহেশতের যে বর্ণনা আছে, সেখানে যা ইচ্ছা করা হয় তাই হাতের মুঠোয় চলে আসে। মিসির আলি খাটে শুয়ে আছেন, পায়ের কাছে জানালা খোলা, ঠাণ্ডা বাতাস আসছে। তিনি চাইলে ইয়াসিনকে ডেকে জানালা বন্ধ করতে বলতে পারেন, কিন্তু ডাকতে ইচ্ছা করছে না। পাশে নেপাল থেকে আনা পশমিনা চাদর পড়ে আছে, কিন্তু সেটাও গায়ে দিতে চাইছেন না। তিনি ভাবছেন, চাদরটা যদি নিজে নিজেই গায়ে পড়ে যেত।
এই উপন্যাসে মিসির আলির মানসিক দুর্বলতা ও ব্যর্থতার অনুভূতি গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি মনে করছেন, শিক্ষক হিসেবে তিনি ব্যর্থ কারণ ইয়াসিনকে ঘড়ি দেখতে শেখাতে পারেননি। এই ছোট্ট ব্যর্থতাও তিনি মেনে নিতে পারছেন না, যা তার মানসিক অবস্থারই পরিচায়ক। হুমায়ূন আহমেদের সহজ, সাবলীল ভাষায় লেখা গল্পটি পাঠককে মিসির আলির ভেতরের জগতে নিয়ে যায়। যারা মিসির আলি সিরিজের ভক্ত, তাদের জন্য এই বইটি একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা। মানসিক দুর্বলতা, আত্মবিশ্লেষণ এবং দার্শনিক চিন্তার অনুরাগীরা এই উপন্যাসটি উপভোগ করবেন।
| প্রকাশনী | : | অনন্যা |
| সংস্করণ | : | 13th Printed, 2012 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9844121787 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 88 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (নতুন) |
পুরাতন বইয়ের কন্ডিশন দেখতে অর্ডার করার পর আপনার অর্ডার আইডিটি আমাদের Messenger বা WhatsApp-এ ইনবক্স করুন।