হিমু রিমান্ডে
হিমু রিমান্ডে উপন্যাসে হুমায়ূন আহমেদ তাঁর প্রিয় চরিত্র হিমুকে নিয়ে এসেছেন এক ভিন্ন পরিস্থিতিতে। গল্পের শুরুতে দেখা যায়, দুপুরে ভারী খাওয়াদাওয়া হয়েছে, খালু সাহেব অফিসে যাননি। কয়েকদিন ধরে তিনি অফিসে যাচ্ছেন না, শরীর খারাপও নয়, কিন্তু চোখে ভরসা হারানো দৃষ্টি। তিনি হড়বড় করে অকারণে কথা বলে যাচ্ছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাদু খাবার কী, এই বিষয়ে দীর্ঘ বক্তৃতা দেন তিনি। তাঁর মতে হরিয়াল পাখির মাংসই সবচেয়ে স্বাদু, কারণ এই পাখি বটফল খায়, মাছ খায় না। সেই পাখি রান্নার রেসিপিও দেন তিনি। সব পাখির মাংসে রসুন বেশি লাগে, কিন্তু হরিয়ালের ক্ষেত্রে লাগে না, কারণ এই পাখির শরীরেই রসুনের মতো গন্ধ থাকে।
নার্ভাস মানুষরা নার্ভাসনেস কাটাতে অকারণে কথা বলে থাকে। খালু সাহেব কোনো কারণে নার্ভাস হয়ে পড়েছেন। ঘটনা কিছু একটা অবশ্যই আছে, যা যথাসময়ে জানা যাবে। হিমুকে ঘিরে এই গল্পে রহস্য, হাস্যরস আর মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েন মিলেমিশে আছে। হুমায়ূন আহমেদের সহজ, সাবলীল ভাষা আর চরিত্রায়ণের অসামান্য দক্ষতা এই বইটিকে পাঠকের কাছে অনন্য করে তুলেছে।
হিমু সিরিজের এই পর্বে লেখকের মায়াবী গদ্যশৈলী পাঠককে আবারও সেই চেনা জগতে নিয়ে যায়। যাঁরা হিমুর ভক্ত, তাঁদের জন্য এই বই এক আনন্দের সংযোজন। হুমায়ূন আহমেদের কলমে সাধারণ ঘটনাও অসাধারণ হয়ে ওঠে, আর এই উপন্যাস তারই প্রমাণ।
| প্রকাশনী | : | অন্যপ্রকাশ |
| সংস্করণ | : | 2008 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9848684646 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 88 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (পুরাতন) |
পুরাতন বইয়ের কন্ডিশন দেখতে অর্ডার করার পর আপনার অর্ডার আইডিটি আমাদের Messenger বা WhatsApp-এ ইনবক্স করুন।