নদী কারো নয়
সৈয়দ শামসুল হকের শেষ উপন্যাস এটি, যা তিনি লিখতে শুরু করেছিলেন ২০১০ সালের মার্চে। মাসিক কালি ও কলম পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল এই লেখা, আর শেষ কিস্তি লেখা হয় ২০১৬ সালের এপ্রিলে। এরপরই তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেপ্টেম্বরে মৃত্যুবরণ করেন, ফলে অসমাপ্তই থেকে যায় উপন্যাসটি। লেখক নিজেও সচেতনভাবে কিছু অংশের পুনরাবৃত্তি করেছেন, যার ব্যাখ্যাও তিনি এক আলাপচারিতায় জানিয়ে গেছেন।
উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মইনুল হোসেনের হাহাকার যেন পাঠকের মনেও গেঁথে যায়। দেশভাগের পর র্যাডক্লিফ রেখার কারণে আধকোশা নদী যখন হিন্দুস্তানের অংশ হয়ে যায়, তখন মইনুলের মনে প্রশ্ন জাগে, সীমান্ত বলতে আসলে কী? চোখে তো কোনো রেখা দেখা যায় না, শুধু মানচিত্রের বুকে লাল পেন্সিলের দাগ, যেন রক্তধারা। ওপারের বালি, ঝাউগাছ, খেয়াঘাটের ছাপড়া, সব কিছুই যেন পর হয়ে যায় তার কাছে, আর এই বিচ্ছেদের বেদনা উপন্যাসের প্রতিটি পাতায় ছড়িয়ে থাকে।
বিভক্তির বাস্তবতা আর মানুষের মমত্ববোধের সংঘাত নিয়ে লেখা এই উপন্যাসটি পাঠককে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সৈয়দ শামসুল হকের অসাধারণ গদ্য আর আবেগঘন বর্ণনার কারণে এটি বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। যাঁরা দেশভাগের ইতিহাস এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন নিয়ে পড়তে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এটি অপরিহার্য।
| প্রকাশনী | : | অন্যপ্রকাশ |
| সংস্করণ | : | 2018 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9789845024624 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 312 |
| ট্যাগ | : | বাংলাদেশি লেখকদের বই (পুরাতন) |
পুরাতন বইয়ের কন্ডিশন দেখতে অর্ডার করার পর আপনার অর্ডার আইডিটি আমাদের Messenger বা WhatsApp-এ ইনবক্স করুন।